Covid-19 volunteer guidelines in Bengali এই গাইডলাইন তাদের জন্য যারা কোভিড-১৯ সংকট চলাকালীন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন বা করবেন

30, Mar 2020 | CJP Team

ভারতে কোভিড-১৯ সংকট চলাকালীন সমগ্র দেশজুড়ে  অনেকেই অত্যাবশ্যকীয় জিনিসপত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছে। চিকিৎসা- ত্রাণসামগ্রী এবং পুনর্বাসনের কাজ চলছে,এখন প্রয়োজন স্বেচ্ছাসেবকের যারা সমাজের প্রান্তিক শ্রেণি বা সাধারণ জনগণের  কাছে এই মহামারী সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে পারে এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী গুলো পৌঁছে দিতে পারে। আপনি যদি এমন কেউ হন যে ব্যক্তি সক্ষমতা বা কোনও সংস্থার সাথে স্বেচ্ছায় স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করছেন বা করবেন,তবে আপনার নিজের নিরাপত্তার সমান্তরাল ভাবে অন্যের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে নিম্নলিখিত প্রয়োজনীয় নির্দেশনগুলো অনুসরণ করুনঃ

 আপনি স্বেচ্ছাসেবকের উদ্যোগ তখনি নিবেন যদি  আপনার বয়স ৬০ বছরের কম হয়।যদি আপনি ডায়াবেটিসের রোগী অথবা তেমন জাতীয় রোগী হয়ে থাকেন তবে যাবেন না অর্থাৎ আপনি যদি তরুণ এবং সুস্থ থাকেন তবেই উদ্যোগ নিন।
 ত্রাণ কাজে নিযুক্ত থাকাকালীন  মাস্ক ও গ্লাভস পরিধান সহ প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।
গ্লাভস এবং মাস্ক পরা সত্বেও  আপনার চোখ, নাক এবং মুখ স্পর্শ করা এড়িয়ে চলুন।
ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ এড়িয়ে চলুন। আপনি যে লোকদের সহায়তা করছেন বা অন্যান্য ত্রাণকর্মীদের থেকে কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।
আপনার হাত অন্যের হাত থেকে দূরে রাখুন।করমর্দন করবেন না,কাউকে জড়িয়ে ধরবেন না।
দলগত বা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করবেন না। সুরক্ষার জন্য একক স্থানে দুজনের দলে কাজ করুন।
আপনি স্পর্শ করা স্থানগুলো সম্পর্কে সাবধান হন। একেবারে প্রয়োজনীয় না হলে কোনও স্থানে বা পৃষ্ঠে স্পর্শ করবেন না।
কমপক্ষে ৬০% এলকোহল যুক্ত একটি হাত স্যানিটাইজার বহন করুন এনং ঘন ঘন এটি ব্যবহার করুন। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সময় নিয়ে প্রয়োজন অনুসারে ঘন ঘন সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।
আপনি যাদের সাথে ছিলেন তাদের থেকে সংক্রামিত হতে পারে তাই আপনার জামাকাপড় / ব্যাগ ইত্যাদি জীবাণুমুক্ত করা উচিত। মুখোশ এবং গ্লাবসগুলি অবশ্যই সাবধানতার সাথে নিষ্পত্তি করতে হবে। কাপড়, ব্যাগ এবং চাবির জন্য সাবান-জল বা ডিটারজেন্ট, সাধারণ পৃষ্ঠের জন্য ব্লিচ-ওয়াটার এবং ফোনের জন্য এলকোহল ভিত্তিক স্যানিটাইজার ব্যবহার করা যেতে পারে।
শুকনো কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং জ্বরের মতো লক্ষণগুলো দেখা দিলে পরিবার সহ প্রত্যেকের কাছ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করুন এবং তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।
কোয়ারানটাইন বা সঙ্গরোধ এবং সামাজিক দূরত্বের কারণে বিচ্ছিন্নতার ভয় মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।উদ্বেগ এবং হতাশা সহায়তা কর্মী এবং যত্ন দাতাদের মধ্যেও হয়ে থাকে,সম্ভব হলে আপনি একজন যোগ্য থেরাপিস্টের সহায়তাও নিতে পারেন।
বিরতি নিন, আরাম করুন এবং স্ব-যত্নকেও গুরুত্ব দিন।
Related:

 

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Go to Top